বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগ

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট

বাকৃবি চত্বর, ময়মনসিংহ

 

উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগ

 

    

পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ্ ব্যবহার ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগে ফসলের রোগ দমনের মাধ্যমে কৃষিকে সমৃদ্ধ করাই উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের মূল লক্ষ্য। কাংখিত লক্ষ্য অর্জনে এ বিভাগ নিম্নক্ষেত্রে কাজ করে যাচ্ছে:

    বিনা্ উদ্ভাবিত ধান, পাট, গম, তেল ও ডাল জাতীয় ফসলের মিউট্যান্টসমূহের রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা  মূল্যায়ন।

    নিউক্লিয়ার ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগে ফসলের রোগ প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবন।

    ফসলের রোগ দমনে আধুনিক টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবিত প্রযুক্তির উপর কৃষক প্রশিক্ষণ প্রদান ও প্রযুক্তিসমূহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে সম্প্রচার করা।

    কৃষকের মাঠ সরেজমিনে পরিদর্শন করে তাৎক্ষণিক রোগ দমন ব্যবস্থা প্রদান।

    মলিকুলার পদ্ধতিতে ফসলের রোগ প্রতিরোধীতা যাচাই ও রোগজীবানুর বৈশিষ্ট্য নির্ণ্য়।

    পিএইচডি ও মাস্টার্স্ কোর্স্ এর ছাত্রদের গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন।

 

 

 

গবেষণা সাফল্য

 

কমোডিটি প্রযুক্তি

১.

বিনাধান-৪ উচ্চফলনশীল আগাম আমন ধানের জাত যা পাতা ঝলসানো ও খোল পোড়া রোগে সহনশীল হিসেবে ১৯৯৮ সালে ছাড়করন করা হয়।

২.

বিনাধান-৫ এবং বিনাধান-৬ উচ্চফলনশীল বোরো ধানের জাত যা পাতা ঝলসানো ও খোল পোড়া রোগে সহনশীল হিসেবে ১৯৯৮ সালে ছাড়করন করা হয়।

৩.

বিনাধান-৭ উচ্চফলনশীল স্বল্প জীবনকালের আমন ধানের জাত যা পাতা ঝলসানো, খোল পোড়া ও ব্লাস্ট রোগে সহনশীল হিসেবে ২০০৭ সালে ছাড়করন করা হয়।

৪.

বিনাধান-৮ এবং বিনাধান-১০ উচ্চফলনশীল লবন সহিষ্ণু বোরো ধানের জাত যা পাতা ঝলসানো ও খোল পোড়া রোগে সহনশীল হিসেবে যথাক্রমে ২০১০ ও ২০১২ সালে ছাড়করন করা হয়।

৫.

বিনাধান-১১ এবং বিনাধান-১২ উচ্চফলনশীল এবং আকস্মিক বন্যা সহিষ্ণু আমন ধানের জাত যা পাতা ঝলসানো ও খোল পোড়া রোগে সহনশীল হিসেবে ২০১৩ সালে ছাড়করন করা হয়।

৬.

বিনাধান-১৪ উচ্চফলনশীল নাবি বোরো ধানের জাত যা পাতা ঝলসানো ও খোল পোড়া রোগে সহনশীল হিসেবে ২০১৩ সালে ছাড়করন করা হয়।

৭.

বিনাসরিষা-৪ এবং বিনাসরিষা-৯ উচ্চফলনশীল স্বল্প জীবনকালের জাত যা পাতা ও ফলের ঝলসানো রোগে সহনশীল হিসেবে যথাক্রমে ১৯৯৭ ও ২০১৩ সালে ছাড়করন করা হয়।

৮.

বিনাচীনাবাদাম-৪ উচ্চফলনশীল জাত যা কলার রট, সারকোস্পোরা পাতার দাগ ও মরিচা রোগে সহনশীল হিসেবে ২০০৮ সালে ছাড়করন করা হয়।

৯.

বিনাচীনাবাদাম-৮ উচ্চফলনশীল লবন সহিষ্ণু জাত যা কলার রট ও মরিচা রোগে সহনশীল হিসেবে ২০১৪ সালে ছাড়করন করা হয়।

১০.

বিনাসয়াবিন-৪ উচ্চফলনশীল এবং রবি ও খরিপ মৌসুমে চাষযোগ্য জাত যা সয়াবিন মোজাইক রোগে সহনশীল হিসেবে ২০১৩ সালে ছাড়করন করা হয়।

১১.

বিনামসুর-৯ উচ্চফলনশীল জাত যা গোড়া পচা রোগে সহনশীল হিসেবে ২০১৪ সালে ছাড়করন করা হয়।

১২.

বিনামুগ-৫ এবং বিনামুগ-৮ উচ্চফলনশীল জাত যা হলুদ মোজাইক রোগে সহনশীল হিসেবে যথাক্রমে ১৯৯৮ ও ২০১০ সালে ছাড়করন করা হয়।

১৩.

বিনাছোলা-৪ এবং বিনাছোলা-৬ উচ্চফলনশীল জাত যা গোড়া পচা ও গ্রে মোল্ড রোগে সহনশীল হিসেবে যথাক্রমে ২০০১ ও ২০০৯ সালে ছাড়করন করা হয়।

 

নন কমোডিটি প্রযুক্তি

১৪.

সুস্থ বীজ, সরিষার খৈল (১৫০ কেজি /হে.), ট্রাইকোডারমা ভিরিডি (প্রতি মিটার সারিতে ১০ গ্রাম) এবং বেভিস্টিন (২ গ্রাম/লি), রোগ দেখা দেয়ার সময় গাছ প্রতি ২০০ মি লি. সাসপেনশন প্রয়োগ করে) এর সমন্বিত প্রয়োগে টমেটার ফিউজারিয়াম উইল্ট রোগ দমন হয়।

১৫.

ট্রাইকোডারমা হারজিয়েনাম মাঠ ফসলে প্রয়োগের জন্য পর্যাপ্ত ইনোকুলাম তৈরীতে ছোলার ভূষি উপযোগী মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায় যেখানে প্রতি গ্রামে ৫৬ × ১০৬ সি এফইউ (স্পোর) উৎপন্ন হয়।

১৬.

গৃহস্থালী আবরজনা থেকে তৈরী কম্পোস্টের সাথে ট্রাইকোডারমা হারজিয়েনাম মিশিয়ে (৩ মি লি/কেজি কম্পোস্ট)মিশ্রিত কম্পোস্ট ৪ টন/হে. হারে প্রয়োগের মাধ্যমে টমেটোর কলার রট রোগ ৪০% দমন করা যায়।

১৭.

বীজ বপনের ৪৫ দিন পর থেকে শুরু করে ১৫ দিন পর পর মোট ৩ বার ফলিকুর (৩ গ্রাম/লি.) হারে প্রয়োগ করে বাদামের সারকোস্পোরা লীফ স্পট রোগ ৭১% এবং রাস্ট রোগ ৭৮% দমন করা যায়।

১৮.

মসুরের রুট রট রোগ দমনে ট্রাইকোডারমা হারজিয়েনাম দ্বারা বীজ শোধন অপেক্ষা মাটিতে প্রয়োগ (১০ গ্রাম/মি.) অধিক কার্য্কর।

১৯.

ছত্রাকনাশক সিকিউর দিয়ে বীজ শোধন (২.৫ গ্রাম/কেজি বীজ) করলে ছোলার রুট রট রোগ ৭০% দমন করা যায়।

২০.

ধানের ব্যাকটেরিয়াল ব্লাইট দমনে ব্লিচিং পাউডার (২ গ্রাম/লি.) এবং জিংক সালফেট (২%) এর একত্র প্রয়োগ বেশ কার্য্কর।

 

 

 

PPD_Bangla.pdf PPD_Bangla.pdf

Share with :

Facebook Facebook