গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬ এ ১২:০৯ PM
কন্টেন্ট: পাতা
| জাতের নাম: বিনা সফেদা ১ |
| জাতের বৈশিষ্ট্য: |
ক. নাবী জাত; খ. ফল আকারে বেশ বড় (প্রতিটির ওজন ২৫০-৪৫০ গ্রাম) ও গোলাকার থেকে ডিম্বাকৃতির, সুগন্ধীযুক্ত ও সুস্বাদু; গ. ফল পাকার পর তামাটে রং ধারন করে; ঘ) ফলের ভক্ষনযোগ্য অংশ ৮০-৯০% এবং টিএসএস (% ব্রিক্স) এর পরিমাণ ২৪-২৮%; (ঙ) শাঁস তামাটে-বাদামী বর্ণের, মোলায়েম, কষ্টিভাব বিহীন, রসালো ও মিষ্টি। |
| জমি ও মাটিঃ |
| এ ফসলের জন্য পানি সেচ ও নিষ্কাশন সম্পন্ন মধ্যম অম্ল-ক্ষারত্ম (pH-৫-৮.৫) সম্পন্ন দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি উত্তম। তবে বাংলাদেশের আবহাওয়ায় পাহাড়ী ও সমতল উভয় এলাকায় সব ধরনের মাটিতেই বানিজ্যিকভাবে সফেদা চাষ করা হয়। |
| জমি তৈরী: |
| জমি গভীরভাবে চাষ দিয়ে আগাছা ভালভাবে পরিষ্কার করে ষড়ভুজ পদ্ধতিতে ৩ মি. × ৩ মি./৪ মি.×৪ মি./৫ মি.×৫ মি. দূরত্বে ৫০-৭৫ সে.মি. × ৫০-৭৫ সে.মি. × ৫০-৭৫ সে.মি আকারে গর্ত খনন করে প্রতি গর্তে সুপারিশকৃত সার প্রয়োগ করে গর্তের মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে রেখে ১৫-২০ দিন পরে কলমকৃত সফেদার চারা রোপন করতে হবে। |
| বপণের সময়: |
| এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত চারা লাগানোর উত্তম সময় তবে পানি সেচ এর ব্যবস্থা থাকলে সারা বছরেই সফেদার চারা লাগানো যায়। |
| বীজ হার: |
| ৪ মি. × ৪ মি. দূরতে ষড়ভুজ পদ্ধতিতে গাছ লাগালে প্রতি হেক্টরে ৭১৮টি চারা প্রয়োজন। |
| বীজ শোধন:- |
| সার ও প্রয়োগ পদ্ধতিঃ |
| রোপনের পূর্বে প্রতি গর্তে (৫০-৭৫ সে.মি. × ৫০-৭৫ সে.মি. × ৫০-৭৫ সে.মি. আকারের গর্ত) ২০ কেজি গোবর, ৫০ গ্রাম খৈল, ৫০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ৫০ গ্রাম টিএসপি ও ৫০ গ্রাম পটাশ ও ২ কেজি ছাই প্রয়োগ করতে হবে। রোপনের ২ ৩ মাস পর প্রতি গাছে ৫০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ৫০ গ্রাম করে টিএসপি ও পটাশ এবং ৪০-৫০ গ্রাম করে বোরন ও জিংক সার প্রয়োগ করতে হবে। |
| সেচ ও নিষ্কাশন: |
| জমিতে অবশ্যই পানি সেচ ও নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। |
| আগাছা দমন ও মালচিংঃ |
| গাছের গোড়া সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে। অক্টোবর-এপ্রিল মাস পর্যন্ত ঘাস, লতা-পাতা প্রয়োগ করে মালর্চং দিলে গাছের গোড়ার মাটিতে অনেকদিন রস থাকে। |
| বালাই ব্যবস্থাপনা: |
| এ জাতে রোগ বালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমন প্রচলিত জাত এর চেয়ে কম। কিন্তু যদি পোকা-মাকড় ও রোগ বালাই দেখা দেয়, তাহলে পোকার জন্য কীটনাশক এবং রোগের জন্য ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করতে হবে। |
| হেক্টর প্রতি ফলন: |
| উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে এ জাতের ফলন ২৫-৪০ টন/হেক্টর পাওয়া যায়। |
| চিত্র: |
|